× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কুড়িগ্রামে বদলি বাণিজ্য ২৫ লাখ মানুষের অসন্তোষ

কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৪ ঘণ্টা আগে

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও স্বপদে বদলি হয়ে আসা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তিন কর্মচারী বাঁয়ে থেকে ইউনুস আলী, আক্তারুজ্জামান ও মমিনুল ইসলাম।প্রবা ফটো

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও স্বপদে বদলি হয়ে আসা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তিন কর্মচারী বাঁয়ে থেকে ইউনুস আলী, আক্তারুজ্জামান ও মমিনুল ইসলাম।প্রবা ফটো

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তিন কর্মচারীকে চার মাসের ব্যবধানে দুই দফা বদলি ও পুনর্বহালের ঘটনায় জেলার প্রায় ২৫ লাখ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কথিত বদলি বাণিজ্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এতে হাসপাতালের প্রশাসনিক কার্যক্রমেও জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রধান সহকারী মো. ইউনুস আলী, উচ্চমান সহকারী মো. আকতারুজ্জামান এবং স্টোরকিপার মমিনুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর ধরে একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ককে প্রভাবিত করা, টেন্ডার সিন্ডিকেট, অস্থায়ী নিয়োগে অনিয়ম, নার্সদের সঙ্গে অসদাচরণ, ঘুষ, ওষুধ চুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি গোপন রেখে ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব অনিয়মের কারণে একাধিকবার বদলি হলেও প্রশাসনের প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদে তারা বারবার কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ফিরে আসছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. গওসুল আজিম চৌধুরী গত ২৫ জানুয়ারি (স্মারক নং-স্বাঃঅধিঃ/প্রশা-৩/৩য় শ্রেণি-২৬/২০২৬) প্রধান সহকারী ইউনুস আলীকে উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, উচ্চমান সহকারী আকতারুজ্জামানকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্যাশিয়ার পদে এবং স্টোরকিপার মমিনুল ইসলামকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করেন। তবে চার মাসের মাথায় গত ১৮ মে ইউনুস আলী এবং ২৯ জুন আকতারুজ্জামানকে শর্তসাপেক্ষে পুনরায় কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পদায়ন করা হয়। অন্যদিকে, সিভিল সার্জনের বিশেষ পত্রে মমিনুল ইসলামকেও সদর হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাখালী কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের (প্রশাসন) মাধ্যমে প্রায় ৯ লাখ টাকার বিনিময়ে ওই তিন কর্মচারীর পুনর্বদলি সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি টেন্ডার প্রক্রিয়ায়ও তাদের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান সহকারী ইউনুস আলী ও স্টোরকিপার মমিনুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা সাড়া দেননি। উচ্চমান সহকারী আকতারুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না। প্রয়োজন হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির বিষয়ে তার কোনো ভূমিকা নেই; এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত। তবে সম্প্রতি হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ নথি বাইরে নেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী এবং অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. জাহিদ রায়হানকে একাধিকবার ফোন ও খুদেবার্তা পাঠানো হলেও তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা