গাইবান্ধা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৬ ঘণ্টা আগে
সাঘাটার বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক (সদ্য বহিষ্কৃত) মোকলেসুর রহমান মুকুল। ফাইল ছবি
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আলোচিত ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাঘাটার বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক (সদ্য বহিষ্কৃত) মোকলেসুর রহমান মুকুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার রাতে গাজীপুরের হারিকেন কোম্পানি এলাকা থেকে সাঘাটা থানা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ নিয়ে মামলায় মোট পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার মোকলেসুর রহমান মুকুল বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত সাইফুল্লাহ বারী বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তিনি উপজেলার শিমুলতাইড় গোরস্থানপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান মাওলানার ছেলে এবং রংপুর ধাপের সাতগড়া মডেল কামিল মাদরাসার আল-কুরআন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
ওসি মাহবুব আলম জানান, সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি মোকলেসুর রহমান মুকুল, আশরাফ, রবিউল, শাহ আলম এবং একজন অজ্ঞাতনামা আসামি। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান।
গত ২১ জুন বিকালে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চারমাথা এলাকায় প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে নিহত হন ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বিকাল পৌনে ৩টার দিকে বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক নেতা মোখলেছুর রহমান মুকুল ও তার সহযোগীরা তার ওপর হামলা চালিয়ে ছুরিকাঘাত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান ২২ জুন সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছয়জনকে নামীয় এবং ১৪ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
ঘটনার পর একই রাতে জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে মোখলেছুর রহমান মুকুলকে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রাথমিক সদস্য পদসহ বহিষ্কার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ জনতা তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। পরবর্তীতে রাজধানী ঢাকাসহ গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে।