মতবিনিময় শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি খাগড়াছড়ি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। প্রবা ফটো
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত বুধবার (১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় তার কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় সামাজিক প্রতিরোধকে সহিংসতা ও অন্যায় রোধের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা। সমাজের প্রতিটি মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে একযোগে দাঁড়াতে হবে। তাহলে অনেক অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই থেমে যাবে।
মতবিনিময় শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
প্রত্যন্ত ও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান মারুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত বলেন, এক সময় সমাজে ছোটখাটো অন্যায়-অপরাধ ঘটলেই পাড়া-মহল্লার মানুষ দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিবাদে সোচ্চার হতেন। কিন্তু বর্তমানে সেই সামাজিক উদ্যোগ ও দায়িত্ববোধ অনেকটাই কমে গেছে। ফলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে হবে।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রুমানা আক্তার, খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পুলক বরন চাকমা, সুশীল সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।