কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে বসানো সব ঝুপড়ি দোকান নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। প্রবা ফটো
অবশেষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে বসানো সব ঝুপড়ি দোকান নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান সায়েম এ আদেশে এমন নিদের্শনা দিয়েছেন। গত জুন মাসের ১ জুন নিদের্শনা পত্রটি সই করা হলেও বুধবার (১ জুলাই) সকালে এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রাধীন বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি।
আদেশটি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের অস্থায়ী সব ব্যবসায়ীদের জানানো হয়। এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের রিট পিটিশন নম্বর-৬২৬/২০১১ এর আদেশ ও কার্ডের শর্ত লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা করায় সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনাকারী সব সাময়িক কার্ড বাতিল করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এ কারণে সৈকতের কোনো স্থানে নতুন করে আর কোনো সাময়িক কার্ড ইস্যু করা হবে না। ইস্যুকৃত সাময়িক কার্ডের মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হওয়ায় তা আর পুনঃনবায়ন করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; যা বিগত ১ জুন সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীকে দ্রুত স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। স্থাপনা না সরালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সৈকতের ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।
জানা গেছে, সমুদ্র সৈকতে ভাসমান ও অস্থায়ী ব্যবসার সুযোগ দিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন নিয়ন্ত্রিত বিচ ম্যানেজম্যান্ট কমিটি বছরে কয়েক কোটি টাকা বাণিজ্য করে আসছে। সৈকতের নানা ধরণের ঝুপড়ি দোকান, কিটকট (বিচ ছাতা), ঘোড়া, বিচ বাইক, ওয়াটার বাইকসহ নানা ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রায় সাড়ে ৩ হাজার অনুমতি পত্র ইস্যু করা হয়। তারপরও বছরের পর বছর ধরে আইন অমান্য করে সৈকতে দখল উৎসব চালু রয়েছে।