বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ভূমি অফিস। প্রবা ফটো
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে নামজারি (খারিজ) ও জমাখারিজের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
সরকারি ভূমি সেবার নামে একটি প্রতারক চক্র সেবাগ্রহীতাদের বিভ্রান্ত করে কোথাও কোথাও লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করছে বলে অভিযোগ করেছে উপজেলা ভূমি অফিস। এ ঘটনায় ভূমি অফিসের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় এবং সেবার স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় গত বুধবার বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নিয়ম ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নামজারি ও জমাখারিজের সম্পূর্ণ কার্যক্রম বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে আবেদন ফি ৭০ টাকা এবং নামজারি অনুমোদন ফি ১১০০ টাকা। সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে কোনো অর্থ লেনদেনের সুযোগ বা প্রয়োজন নেই।
কিন্তু সম্প্রতি বিভিন্ন ইউনিয়নে সক্রিয় একটি দালাল ও প্রতারক চক্র উপজেলা দ্রুত নামজারি করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।
জমির খারিজ করতে আসা বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার কৃষক মো. আজাদ মিয়া জানান, তিনি সরকারি নির্ধারিত ১১৭০ টাকা পরিশোধ করেই নামজারির কাজ সম্পন্ন করেছেন।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বাঞ্ছারামপুর পৌর প্রশাসক মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারির ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত একটি টাকাও দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ ভূমি অফিসের নাম ব্যবহার করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করলে বিষয়টি দ্রুত সহকারী কমিশনার (ভূমি) অথবা উপজেলা ভূমি অফিসকে জানান।
তিনি আরও বলেন, প্রতারকদের সঙ্গে ভূমি অফিসের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।