কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৪ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৪ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বিজু। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্বজন ও নেতাকর্মীরা।
শহরের আড়পাড়া এলাকায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের দাবি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের বৈঠক চলছিল, এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে নেতাকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের বাধার মুখে একপর্যায়ে বিজু সেখান থেকে সরে যান।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে শহরের আড়পাড়া এলাকার নিজ বাড়ির নিচতলায় দলীয় অফিসে অবস্থান করছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজু। এ সময় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের। এ সময় পুলিশ এসে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
বিজুর ছোট ভাই মুস্তাক আহমেদ লাভলু বলেন, “ঘটনার সময় বিজু বাড়িতে বসে ছিলেন। অফিসে কোনো দলীয় কার্যক্রম হচ্ছিছিল না। এ সময় কালীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল এসে কথোপকথনের একপর্যায়ে তাকে নিয়ে যেতে চায়”।
তিনি বলেন, “পুলিশকে ওয়ারেন্টের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোনো সদুত্তর না দিয়ে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে বাধা দেন। একপর্যায়ে বিজু ভাই সেখান থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় দায়িত্বরত এক এসআই তার ব্যবহৃত আইফোনটি নিয়ে যান। বর্তমানে আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি”।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, মোস্তাফিজুর রহমান বিজুর বাড়ির কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিষেধ করতে পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। পুলিশকে দেখে উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর রহমান বিজু দৌড়ে সেখান থেকে চলে যান। তখন তার পকেট থেকে ব্যবহৃত আইফোনটি পড়ে যায়। ফোনটি বর্তমানে আমাদের কাছে রয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে কেউ এ ফোনটি ফেরত দেওয়া হবে”।