কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৭ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৪ ঘণ্টা আগে
অসুস্থ শ্রমিকদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় পানি পান করে দুই শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।
অসুস্থ শ্রমিকদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
জেলার কালিয়াকৈর উপজেলাধীন চন্দ্রা এলাকায় অবস্থিত ড্রেসম্যান গার্মেন্টস লিমিটেড কারখানায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় এ ঘটনা ঘটেছে।
হাসপাতালে অবস্থানরত শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কারখানায় প্রবেশ করে শ্রমিকরা। কাজ শুরুর কিছুক্ষণ পর শ্রমিকরা কারখানার খাবার পানি পান করেন।
তারা জানান, এর কিছুক্ষণ পর কারখানার চতুর্থ তলায় কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেকেই মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া, বমিসহ নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।
ধীরে ধীরে কারখানার অন্যান্য ফ্লোরের শ্রমিকরাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে বলেও জানান তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অসুস্থদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী শ্রমিক।
কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় বহু শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। প্রায় দুশো শ্রমিককে আমরা চিকিৎসা দিয়েছি।
তিনি বলেন, অসুস্থ শ্রমিকদের মাঝে ৯৬ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলো গুরুতর অবস্থায় ৭ জন কে বিভিন্ন হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে বাকিরা জরুরী বিভাগ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছে।
রাজিয়া বেগম নামে একজন নারী শ্রমিক জানান কারখানায় প্রবেশের পর পিপাসা লাগলে বাথরুমে গিয়ে পানি পান করি।
তারপর থেকে বমি মাথা ব্যাথা পেটব্যথায় অচেতন হয়ে পড়লে আমাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে তারপর দেখি আরও অনেক শ্রমিককেই হাসপাতালে আনা হয়েছে।
ওই কারখানার জিএম কাজী সফিক বলেন, সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে আমাদের কারখানার এক নারী শ্রমিক বমি করলে তাকে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করি।
তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে আরও ৫-৬ জন অসুস্থ হয়ে যায়। পরে তাদের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে আমরা কারখানা ছুটি দিয়েছি।
তবে কারখানার পানিতে কোনো সমস্যা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।