এসএম কামরুজ্জামান। প্রবা ফটো
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বদলির আদেশ জারির এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রধান সহকারী এসএম কামরুজ্জামান এখনও নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের অভ্যন্তরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৪ মে ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শজিমেক হাসপাতালের উচ্চমান সহকারী শাহিন ইসলামকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রধান সহকারী হিসেবে পদায়ন করা হয়। একই আদেশে শজিমেক হাসপাতালের প্রধান সহকারী এসএম কামরুজ্জামানকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, বদলির আদেশ জারির তিন কর্মদিবসের মধ্যে কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি নিতে হবে। তা না হলে চতুর্থ কর্মদিবস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অব্যাহতি প্রাপ্ত হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা।
তবে অভিযোগ রয়েছে, এক মাসের বেশি সময় পার হলেও এসএম কামরুজ্জামান এখনও শজিমেক হাসপাতালেই দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমার বদলির আদেশ হয়েছিল। কিন্তু ডিজি স্যার আমাকে বর্তমান কর্মস্থলেই থাকতে বলেছেন। বদলির আদেশ বাতিল হবে বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।’
অন্যদিকে পদায়নপ্রাপ্ত শাহিন ইসলাম বলেন, বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান ও রিলিজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। আমাকে দায়িত্বে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে শজিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মনজুর মোর্শেদ বলেন, বদলির আদেশের পর কিছু প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং তারা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এতে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দপ্তরে জানানো হয়েছে। এখন তাদের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনা পেলে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।