রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজ আয়োজিত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইন সুরক্ষা : চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার’ শীর্ষক সেমিনারে ভূমিমন্ত্রী। প্রবা ফটো
রাজশাহীর সীমান্ত এলাকায় শুধু মাদকের ব্যবসা করেই গত ২০ বছরে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি বনে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। যারা জাতিকে নিশ্বেস করছে তারা সমাজের বড় শত্রু। এদের সবাইকে ঘরে বসেই চিহ্নিত করা যায়।
এমন অবস্থায় এদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যবস্থা নিতে কোন সমস্যা থাকার কথা নয় বলেও জানান মন্ত্রী। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজ আয়োজিত ‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইন সুরক্ষা : চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অতীত ভুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পুনরুদ্যমে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মা হচ্ছেন সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই মায়ের জাত নারী। সমাজ থেকে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল করা গেছে। ঠিক একইভাবে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে। নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদেরকে আমরা প্রশ্রয় দেইনি। ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন; রাজশাহী পাইওনিয়ার, আমরা সারা জাতিকে এমন কিছু উপহার দিব যা থেকে সবাই উপকৃত হবে। রাজশাহীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো হওয়ায় লন্ডন স্কুল অফ ইউনিভার্সিটি রাজশাহীকে হ্যাপি সিটি অফ দা ওয়ার্ল্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে রাজশাহী ভিন্ন, কারণ রাজশাহী বিভাগের মানুষেরা সবচেয়ে ভদ্র, সহনশীল ও ধৈর্যশীল। এটা আমাদেরকেই ধরে রাখতে হবে।
সেমিনারে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের উপর বিস্তারিত তুলে ধরা হয় এবং ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও পারিবারিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়। জানানো হয়, আইনের অপপ্রয়োগ আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বড় বাধা।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদা। উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এইচ এম মাহামুদুর রহমান, আরএমপি কমিশনার মো: ফয়জুল কবির, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শারমিন আকতার।