কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৭ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এই খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন। ছবি: ভিডিও থেকে
কক্সবাজারে ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এই খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
এর আগে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কক্সবাজার শহরের চিত্র ছিল ভিন্ন।
বিমানবন্দর সড়ক, হলিডে মোড়, কলাতলী, সুগন্ধা পয়েন্ট, বাস টার্মিনাল, লিংক রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয় চেকপোস্ট।
নিরাপত্তাবাহিনী, সরকারি অতিথি এবং দলীয় নেতাকর্মীদের বহনকারী যানবাহন ছাড়া সাধারণ যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
এদিন ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও বিমানবন্দর ও প্রকল্প এলাকা ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতার পাশাপাশি তিনি বলেন, ঐতিহাসিক পাতলী খাল শুধু একটি জলাধার নয়, এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
১৯৭৭ সালে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় ১৯৭৯ সালে এই পাতলী খালের কাজ শুরু হয়েছিল, যা আজ পুনরায় খননের মাধ্যমে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাছুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনাও করা হয়।
পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা ও জলাধার সংরক্ষণের লক্ষ্যে খালের পাড় সংরক্ষণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া হয়।
দিনব্যাপী সফরসূচিতে আরও রয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত কক্সবাজারের শহিদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
দুপুর দেড়টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও মোনাজাতে অংশ নেবেন।
এরপর পেকুয়ায় গিয়ে পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন। সেখানে জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে চকরিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তিনি।
বিকাল চারটায় চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে সন্ধ্যা ৬টায় তিনি মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করবেন।
সফরের শেষ পর্যায়ে রাত ৮ টায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন এবং সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সফর শেষে রাতেই ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।