× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে গলা টিপে ধরে পেটাল পুলিশ!

চট্টগ্রাম অফিস

প্রকাশ : ৬ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ৬ ঘণ্টা আগে

ক্রিকেটার নাঈম হাসান। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেটার নাঈম হাসান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে গলা টিপে ধরে পাইপ দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের খুলশী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

নগরীর লালখান বাজার এলাকায় শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

ক্লোজড পুলিশ সদস্যরা হলেন, এসআই শফিকুল ইসলাম এবং কনস্টেবল রাসেল। আর একজন কনস্টেবলের নাম তাতক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ক্রিকেটারের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শেষ নাঈম হাসান অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে লালখানবাজার এলাকায় তার গাড়ি থামানো হয়। পরে পুলিশের একটি টিম পরিচয় যাচাইয়ের জন্য তল্লাশি চালায়।

পরিবারের দাবি, তল্লাশির এক পর্যায়ে সাদা পোশাকধারী এক ব্যক্তি ও পুলিশ সদস্যরা তাকে জোর করে গাড়ি থেকে নামান। এ সময় ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে জোর করে খুলশী থানায় নেওয়া হয়।

২৬ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি স্পিনার বলেন, “আমার প্রিমিয়ার লিগে খেলা চলছিল, আমার ফ্লাইট বিলম্ব হয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজি নিয়ে আসতেছিলাম, ১১টা ২৫ এর দিকে লালখান বাজার ফ্লাইওভারের নিচে আমার সিএনজি দাঁড় করাল, ড্রাইভারের থেকে কাগজপত্র নিলো। আমি পুলিশকে বললাম, ‘আপনি আমার ব্যাগ চেক করেন দরকার হলে’।”

কান্নারত নাঈম বলেন, “আমাকে গলা চিপে ধরে বললো- ‘তুই গাড়িতে উঠ’। এই বলে আমাকে গাড়িতে তুলল। আমি ‘আপনি আমার গলা টিপে ধরছেন কেন’ বলে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে গেলাম। এরপর ওরা গলা টিপে ধরেই আমাকে মেরেছে এবং হেনস্থা করেছে।”

তিনি বলেন, “পুলিশ ছিল দুজন, আরেকজন পাঞ্জাবি পরা মানুষ ছিল। ও কোনো পরিচয় দেয়নি, মারতেছিল পাইপ দিয়ে। পরে ১০০-২০০ মানুষ ছিল সেখানে, তারা আমার পরিচয় দিয়েছে, তবুও আমাকে মারতেছিল। বলতেছিল ‘তুই আসামি, কথা বলবি না’। আমি আইডি কার্ড দেখিয়েছি, তাও ওরা আমাকে মারছিল।”

তাকে খুলশি থানায় নিয়ে যাওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি সুষ্ঠু বিচার চাই। এটা স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার কিছু নাই। আজকে আমাকে মারছে, আরেকদিন অন্য কাউকে মারলে তার জন্য কেউ আসবে?”

ঘটনার সময় নাঈম হাসানের সঙ্গে থাকা দুজন প্রত্যক্ষদর্শী অভিযোগ করেন, পরিচয় দেওয়ার পরও পুলিশ সদস্যরা তা আমলে নেননি। শুরু থেকেই তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে নিয়ে আচরণ করা হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় ব্যাখ্যা দিয়েছেন খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “একটি সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ডিউটিরত কর্মকর্তা এসআই শফিক ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে থানায় নিয়ে আসেন। তথ্যটি দিয়েছিলেন থানার সেকেন্ড অফিসার। তথ্য ছিল চোরাচালান সরবরাহসংক্রান্ত।”

ওসি বলেন, “আমাকে না জানিয়েই তারা এই পদক্ষেপ নেয়। থানায় আনার পর আমি তাকে চিনতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া হয়।”

তিনি জানান, এ ঘটনায় নগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) থানায় গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করেন। তদন্তে এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল এবং অভিযানে অংশ নেওয়া আরও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা