পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে
সুন্দরবনের নদীতে ছোট নৌকায় দুই জেলের মাছ ধরার দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
খুলনা জেলার কয়েকটি উপজেলা ও সাতক্ষীরা জেলার দুটি উপজেলার কিছু অংশ নিয়ে প্রস্তাবিত সুন্দরবন জেলা ৪৪ বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এর দাবিতে ঢাকার রাজপথসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় আন্দোলন সংগ্রাম হলেও আজও তা থেকে গেছে অধরা সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন কমিটির পাশাপাশি সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়নের ছাত্র সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটির ব্যানারে তুমুল আন্দোলন সংগ্রাম হয়।
জাতীয় নির্বাচনের সময় অনেক প্রার্থীরা বিষয়টা নিয়ে সংসদে উত্থাপন করবেন এবং দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের গণদাবি বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু একবার সংসদে যাওয়ার পর অনেকেই বিষয়টি ভুলে গিয়েছেন। দাবির জায়গায় দাবিই রয়ে গেছে। এ দাবিতে গঠিত হয়েছে সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন পরিষদ।
কালের বিবর্তনে আজ ৪৪ বছর পার হয়েছে। কিন্তু জনগণের ন্যায্য দাবি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। এদিকে সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিএ সবুর বলেন, সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন আমাদের নায্য দাবি। এটা বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত এর পরে আছে সুন্দরবন আর বঙ্গোপসাগরে। খুলনা সদর থেকে পাইকগাছার দূরত্ব ৬৮ দশমিক ০১ কিলোমিটার। কয়রার দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। এর থেকে কম দূরত্বে অনেক জেলা রয়েছে। যাদের থেকে আমরা সরকারকে প্রচুর রাজস্ব দিয়ে থাকি।
মানগ্রোভ সুন্দরবন ও হিমায়িত রপ্তানি পণ্য সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি, কাঁকড়া। আছে লোনা পানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রও, আছে একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। একটি জেলা গঠনে যা যা থাকা প্রয়োজন সবই রয়েছে। প্রস্তাবিত সুন্দরবন জেলা আর বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন ছাত্র সংগ্রাম কমিটির তৎকালীন আহ্বায়ক জিএম মিজানুর রহমান বলেন, কয়রা ও পাইকগাছা থেকে জেলা শহরের কাজ মিটাতে দিনের পর দিন সর্বসাধারণকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এখানে আছে ফৌজদারি ও দেওয়ানি আদালত। নির্মানাধীন রয়েছে জেলখানা। সরকারের সদিচ্ছার কারণে প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন হয়নি। সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক এসএম রফিকুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে আমাদের কঠোর আন্দোলনের বিকল্প নেই। এর জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নেমে পড়তে হবে।