খুলনা অফিস
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে বর্জ্য রিসাইক্লিং প্লান্টটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হবে। শনিবার (৬ জুন) দুপুরে প্লান্টের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে এ ধরনের প্রকল্প প্রথমবারের মতো খুলনা সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়ন করছে, যা খুলনাবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য সংরক্ষণের বিষয়ে নিরুৎসাহিত করেছেন এবং একটি ধুলা ও বর্জ্যমুক্ত শহর গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে বাড়ি থেকে পৃথকভাবে বর্জ্য সংগ্রহ এবং রাতের মধ্যেই তা রিসাইক্লিং সেন্টারে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রম সফল হলে বর্জ্য সম্পদে পরিণত হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এর অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর অধীনে দ্বিতীয় নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কুয়েট এপ্রোচ রোড প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
আগামী ১ জুলাই থেকে বর্জ্য রিসাইক্লিং প্লান্টের একাংশে প্লাস্টিক থেকে জ্বালানী তেল তৈরি কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্লান্টটির সফল বাস্তবায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ওয়েস্ট কনসার্ণ এর সঙ্গে চুক্তির প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পূর্বে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা আজ প্লান্টটির বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো: হামিদুল হক, টিম লিডার মো: শফিকুর রহমান, কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মো: রেজা রশীদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো: মাসুদ করিম, সহকারী প্রকৌশলী ওবায়দুল্লাহ খান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মো: মনিরুজ্জামান রহিম, ওয়েস্ট কনসার্ণ এর ম্যানেজিং পার্টনার মাকসুদ সিনহা ও ইফতেখার এনায়েত উল্লাহ, বিটাকের সাবেক মহাপরিচালক ড. এহসান এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহবুব ব্রাদার্স এর স্বত্বাধিকারী মো: মাহবুবুর রহমানস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।