মধ্যাঞ্চলীয় অফিস ও নেছারাবাদ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের উখড়াশাল গ্রামে গোয়ালঘরে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মোছা. মেহেরা খাতুন (৫০) ও তার পুত্রবধূ খালেদা আক্তার (৩২) মারা গেছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মেহেরা খাতুন স্থানীয় প্রবাসী জাহাঙ্গীর মিয়ার মা এবং খালেদা আক্তার তার স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার দুপুরে গোয়ালঘরে গবাদিপশুর দেখাশোনা ও অন্যান্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন মেহেরা খাতুন ও খালেদা আক্তার। এ সময় অসাবধানবশত গোয়ালঘরের একটি বৈদ্যুতিক তার বা সংযোগ লাইনে স্পৃষ্ট হয়ে তারা অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
আচমিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জুমার নামাজের কিছুক্ষণ আগে শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মৃত্যুর খবর পাই।
অপরদিকে পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়ি এলাকায় অটোরিকশার চার্জার সংযোগ খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৬০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শহিদুল ইসলাম মৃত আব্দুল গনির মেজো ছেলে এবং পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তার অটোরিকশা চার্জে রেখে ঘুমাতে যান। শুক্রবার সকালে চার্জার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর অবস্থায় স্বজনরা তাকে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রেদওয়ান খান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানান, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।