জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৬ ১৬:১২ পিএম
ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
প্রতিনিয়তই যেখানে পথচারীদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না, সেখানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাস্তায় নামতেই হয়ে গেল যানজটমুক্ত।
নীলফামারীর জলঢাকার ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির নেতৃত্বে রবিবার বিকালে যানজট নিরসন অভিযান হয়।
অভিযানে
নামলে জলঢাকা জিরো পয়েন্ট হতে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক মুহূর্তে যানজটমুক্ত হয়ে যায়।
কোথাও যত্রতত্র রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা এমনকি মোটরসচাকেলের পর্যন্ত এলোমেলো পার্কিং
চোখে পড়েনি।
এ সময় পথচারী
রশিদ মিয়া, আবুল হোসেন ও রনজিত কুমার আক্ষেপ করে বলেন, শুনেছি চীনের দুঃখ হোয়াংহো আর
আমাদের জলঢাকার দুঃখ জিরো পয়েন্ট মোড়।
যানযটের
কারণে সৃষ্ট এই দুর্ভোগ পথচারীরা কয়েক দশক ধরে নীরবে হজম করছে। অথচ কোনো কর্মকর্তা
বা জনপ্রতিনিধি জিরো পয়েন্টের যানজটের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি বলেও অভিযোগ করেন তারা।
তারা কিছুটা
উচ্ছ্বসিত কন্ঠে বলেন, আমাদের নবাগত ইউএনও বিষয়টি আমলে নিয়ে শহরটি যানজটমুক্ত করলেন।
এখন আমাদের চলতে আর কোনো প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়তে হবে না বলে আশা করছি।
এমন পদক্ষেপ
নেওয়ায় আমরা ইউএনওকে ধন্যবাদও জানান তারা।
এ বিষেয়ে
ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, “আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে মানুষজন ঘর মুখী হওয়ায়
শহরে যানজট হচ্ছে। এতে পথচারী ও যাত্রীসাধারণের সময় অপচয় হয় এবং চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
“তাই যানজট
নিরসনের জন্য এই অভিযান, যা ঈদ পরবর্তী পর্যন্ত চলমান থাকবে।”
যানজট নিরসন
অভিযানে সঙ্গে ছিলেন জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম, এলজিইডি সহকারী
মাঠ প্রকৌশলী আরিফ শাহরিয়ার ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা।
অভিযানে
নামলে জলঢাকা জিরো পয়েন্ট হতে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক মুহূর্তে যানজটমুক্ত হয়ে যায়।
নীলফামারীর
জলঢাকার ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির নেতৃত্বে রবিবার বিকালে যানজট নিরসন অভিযান
পরিচালিত হয়।