ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গাজীপুরের শিল্প-কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ।ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গাজীপুরের শিল্প-কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ।
ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সোমবার সকাল থেকেই যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়তে দেখা গেছে।
তবে দুপুরের পর থেকে এই চাপ কয়েকগুণ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের প্রায় ৫ হাজার ৬০০ শিল্পকারখানার মধ্যে ৪৫ শতাংশ কারখানায় সোমবার ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এর মধ্যে দুই হাজারের বেশি পোশাক কারখানা রয়েছে। বাকি কারখানাগুলোতে আগামীকাল ছুটি দেওয়া হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাথায়, হাতে ও কাঁধে ব্যাগ নিয়ে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন হাজারো মানুষ। সকাল থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের যানজট দেখা যায়নি।
তবে গাজীপুরের চন্দ্রা, চান্দনা চৌরাস্তা ও টঙ্গী এলাকায় চাপ বেড়ে যাওয়ায় ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যায় যানবাহনসমূহকে। দুপুরের পর থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপ আরও কয়েকগুণ বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পাবনার চাটমোহর এলাকার পোশাককর্মী আতিকুল ইসলাম বলেন, রবিবার রাতে ডিউটি শেষ হওয়ার পর তাদের কারখানা ছুটি হয়েছে। সকালে রওনা দিলেও এখনও বড় ধরনের যানজটের মুখে পড়তে হয়নি। তবে দুপুরের পর পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও মনে করছেন তিনি।
নাওজোড় হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে হাইওয়ে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
অনেক কারখানা সোমবার ছুটি হওয়ায় দুপুরের পর থেকে যাত্রীদের চাপ আরও বাড়বে এবং ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান ওসি।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, সোমবার ৪৫ শতাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজারের বেশি পোশাক কারখানা রয়েছে।
বাকি কারখানাগুলো আগামীকাল ছুটি দেবে বলেও জানান তিনি।