লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬ ২০:২০ পিএম
আপডেট : ২৩ মে ২০২৬ ২০:২৫ পিএম
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েশন ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)-এর আওতায় পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ মুরাদ ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহাদুল ইসলামের সঞ্চালনায় কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক।আলোচনার প্রারম্ভে প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রোগ্রামের পরিচিতি ও চলমান কর্মসূচির বিশদবিবরণে উপস্থাপন করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহাদুল ইসলাম।এতে অংশ নেন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা।
আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডক্টর আক্তার আহাদ চৌধুরী
স্বপন, লাখাই প্রেস ক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ বাহার উদ্দিন, সফল কৃষি উদ্যোক্তা ফজলে রাব্বি
জিসান।
কংগ্রেসে উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট
সামছুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি শেখ মোহাম্মদ ফরিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য
আব্দুল ওয়াদুদ তালুকদার আব্দাল, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ও থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ আহমেদ।
বক্তারা বলেন, পার্টনার প্রোগামসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের চলমান কার্যক্রমের ফলে লাখাইয়ে কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এক সময়ের খোরপোশের চাষাবাদের পরিবর্তে বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু হয়েছে। শস্যের বহুমুখীকরণ ও নিবিড়তা নিশ্চিত হওয়ায় উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন, হাওরাঞ্চল বেষ্টিত লাখাইয়ে সুতাং সাকাতি, বেলেশ্বরী কানাই, বলভদ্রসহ অপরাপর নদীগুলো দীর্ঘদিন খননের অভাবে এর নাব্যতা হারিয়েছে। ফলশ্রুতিতে শুষ্ক মৌসুমে সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানির সংকট ও আগাম বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। এ থেকে উত্তোরণে নদনদীগুলোর নাব্য ফিরিয়ে আনা সময়ের দাবি। সেই সঙ্গে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের গৃহীত খালখনন কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, দীর্ঘদিন রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে জমির উর্বরা শক্তি দিন দিন কমে যাচ্ছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে জমির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সার ও জৈব বালাই নাশক ব্যবহার বৃদ্ধি ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে উদ্যোগ গ্রহণ করতে আহ্বান জানানো হয়।