রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬ ১৯:৫০ পিএম
আপডেট : ২৩ মে ২০২৬ ২০:১২ পিএম
সৌদি প্রবাসী রাজিয়া সুলতানার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় খাদিজা আক্তারের। ফেসবুকে বন্ধুত্বের সুত্রধরে রাজবাড়ীর সৌদি প্রবাসী হাসান খানের সঙ্গে গোপনে বিয়ের প্রলোভন দেখায় রাজিয়া। হাসান সৌদি থেকে দেশে আসার পরই ঢাকায় একটি বাসায় খাদিজা বিয়ে দেয় রাজিয়া।
একই সঙ্গে রাজিয়া সুলতানাও হাসানের সঙ্গে কাজীর যোগসাজসে কাবিননামা তৈরি করেন। এখন রাজিয়া নানাভাবে হাসানকে ব্লাকমেইল করাসহ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২৩ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজবাড়ী পৌরসভার একটি মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন, রাজবাড়ী সদরের কল্যাণপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী হাসান খানের স্ত্রী ও বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার লেমুয়া গ্রামের আব্দুল গফফারের মেয়ে খাদিজা আক্তার। এতে খাদিজার বাবা আব্দুল গফফার, হাসান খানের বাবা হাসেম খানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
খাদিজা বলেন, বাগেরহাট সদরের জবেদ আলী শিকদারের মেয়ে সৌদি আরব প্রবাসী রাজিয়া সুলতানা। তার সঙ্গে আমার ফেসবুকে পরিচয় হয়। সে আমাকে সৌদি প্রবাসী হাসান খানের সঙ্গে বিয়ের কথা বলে। আমি তার কথায় রাজি হই। হাসান সৌদি থেকে আমার বিয়ের জন্য অনেক মালামাল আনে। রাজিয়া মালামালসহ হাসানকে ঢাকার একটি বাসায় রাখে। ওই মালামাল আত্নসাৎ করে সে। সেখানে পিরোজপুর পৌরসভার ম্যারেজ রেজিষ্ট্রার কাজী সাইফুল ইসলামকে দিয়ে আমার বিয়ের সময় কৌশলে রাজিয়া, তার নামেও কাবিননামায় ঢুকিয়ে দিয়েছে। একই সময়ে সে আমার বিয়ের সাক্ষি ও নিজের বিয়ের কাবিন তৈরি করেছে। কিন্তু পরবর্তীতে রাজিয়া আমার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেয়। ওই বিয়েতে সেও উপস্থিত ছিল। প্রশ্নস হলো যদি তাকেই বিয়ে করে থাকে, তাহলে সে আমাকে নিজে থেকে কিভাবে বিয়ে দিল। তার বড় বড় দুটি সন্তান রয়েছে।
এদিকে রাজিয়া বলেন, সৌদি আরবে হাসান খানের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। হাসান আমার সব টাকা আত্নসাৎ করেছে। সে আমাকেও বিয়ে করেছে। আমি দেশে চলে আসলে হাসান আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তখন বান্ধবি খাদিজাকে দিয়ে হাসানের সঙ্গে আমার বিয়ে বিষয়ে রাজি করাই। পরে সে দেশে আসলে আমাকে বিয়ে করে। পরে আমাকে না জানিয়ে খাদিজাকে বিয়ে করে। আমার পাশাপাশি অন্যনারী খাদিাকে বিয়ে করায় আমি হাসানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছি। আমি বিচার চাই।