× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বান্দরবানে ডায়রিয়ায় অর্ধশতাধিক আক্রান্ত

বান্দরবান প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬ ২২:৪৬ পিএম

থানচি দুর্গম রেমাক্রী এলাকায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রবা ফটো

থানচি দুর্গম রেমাক্রী এলাকায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রবা ফটো

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম রেমাক্রী ইউনিয়নের হামের পর কয়েকটি পাহাড়ি গ্রামে ডায়রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ফার্মেসিগুলোতে স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। 

এতে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন শিশু ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। শুক্রবার দুপুরে রেমাক্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুই শৈ থুই মারমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

রেমাক্রী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হ্লাথোয়াই প্রু মারমা বলেন, রেমাক্রী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আদা ম্রো পাড়ায় ৮ জন, অংহ্লা কুমী পাড়ায় ৬ জন, লাইথাং মেম্বার পাড়ায় ৬ জন, রেমাক্রী বাজারে ১০ জন, জাদি পাড়ায় ৫ জন, কলাপাড়ায় ৫ জন এবং তিন্দু ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চিংথোয়াই অং হেডম্যান পাড়ায় ১০ জনসহ সব মিলিয়ে অর্ধশতাধিক মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। 

স্থানীয় বাসিন্দা শৈবাথোয়াই মারমা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে চিংথোয়াই অং পাড়ার বাসিন্দা ও রেমাক্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী খ্যাই ম্রা উ মারমা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে তাকে থানচি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক মংসাচিং মারমা বলেন, রেমাক্রী বাজারে তিনটি ফার্মেসিতেই কলেরা স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে রোগীদের চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের অভাব পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। 

রেমাক্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুই শৈ থুই মারমা বলেন, প্রতিবছর এই সময়ে ইউনিয়নে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। তার মতে, জুমচাষে আগাছা দমনে ব্যবহৃত বিষাক্ত ওষুধ বৃষ্টির পানির সঙ্গে ঝিরিতে মিশে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা সেই ঝিরির পানি পান করায় ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। 

থানচি উপজেলার স্বাস্থ্যও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ বলেন, গত এক সপ্তাহে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী দুর্গম লিটক্রে এলাকায় ৮৪ জন হাম উপসর্গে আক্রান্ত রোগীকে জরুরি মেডিকেল টিম পাঠিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। আমি বর্তমানে সরকারি কর্মসূচিতে কক্সবাজার অবস্থান করছি। আমি গণমাধ্যমে খবর পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইনসহ মেডিকেল টিম পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা