চাঁদপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬ ১৭:৪১ পিএম
আপডেট : ১৮ মে ২০২৬ ১৯:৩০ পিএম
২২ মণ ও ২০ মণ ওজনের এই জোড়া গরুর দাম হাঁকা হয়েছে ১৩ লাখ টাকা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে আলোচনায় এসেছে ‘শাহরাস্তি কিং-১’ ও ‘শাহরাস্তি কিং-২’ নামে দুটি বিশালাকৃতির ষাঁড়। ২২ মণ ও ২০ মণ ওজনের এই জোড়া গরুর দাম হাঁকা হয়েছে ১৩ লাখ টাকা। গরু দুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন ক্রেতা ও উৎসুক মানুষজন।
এক বছর আগে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বিক্রির জন্য গরু দুটি কিনে লালন-পালন শুরু করেন শাহরাস্তি উপজেলার দারুনকরা গ্রামের শাহরাস্তি এগ্রো ফার্মের মালিক মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আরও পড়ুন: ১৪০০ কেজির ‘বাদশা’ কে নিয়ে দুশ্চিন্তায় মালিক
খামারি মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, তার খামারে বড় প্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় দুটি উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড়। গরুগুলোর দেখভাল ও নিরাপত্তার জন্য পাঁচজন শ্রমিক নিয়োজিত আছে। তার খামারে প্রিজিয়ান জাতের পাশাপাশি শাহীওয়াল ও গির জাতের প্রায় ১৫টি গরু রয়েছে।
তিনি আরও জানান, গরুগুলোকে দেশীয় ঘাস, খড়, খৈল ও দানাদার খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। বাজারে পশুখাদ্যসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে। সে বিবেচনায় বাজারমূল্যের তুলনায় কম দামই চাওয়া হয়েছে বলে দাবি এই খামারির। জোড়া গরুর জন্য ১৩ লাখ টাকা দাম চাওয়া হলেও ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।
খামারে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, গত এক বছর ধরে গরু দুটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিদিন দুইবার শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করানো হচ্ছে। পুষ্টি বৃদ্ধির জন্য দেশীয় ঘাসের পাশাপাশি ভুসি ও খৈল খাওয়ানো হয়।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জ্যোতিময় ভৌমিক জানান, এবার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ৭৫ হাজার ২৪৮টি। এর বিপরীতে প্রায় ৯ হাজার ১৫০টি পশুর ঘাটতি রয়েছে।
তিনি জানান, ঈদের আগে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা শরীয়তপুর, মুন্সিগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চল থেকে গবাদিপশু নিয়ে এলে চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। এ ছাড়া জেলায় প্রায় দুই শতাধিক পশুর হাট বসবে। শুধু হাটেই নয়, অনলাইনেও অনেক খামারি পশু কেনা-বেচা করবেন।