মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬ ১৪:৩৬ পিএম
আপডেট : ১৭ মে ২০২৬ ১৪:৪১ পিএম
কুমিল্লার মেঘনা থানা। ফাইল ছবি
কুমিল্লার মেঘনা থানায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৮৬ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মামলায় আরও ১০০-১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
স্থানীয় উপজেলা বিএনপির নেত্রী মাহবুবা ইসলাম মিলি বাদী হয়ে শনিবার মামলাটি করেন।
মামলায় দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংক্রান্ত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিল পাস |
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ২০১৮ সালের ২০ ডিসেম্বর নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের সাতানী ঘাট এলাকায় উপস্থিত হয়ে নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সুমনের নির্দেশে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূইয়ার সমর্থক মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সেখানে হামলা চালায়। আকস্মিক এ হামলায় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন তার গানম্যানের সাহসিকতায় প্রাণে রক্ষা পান।
এ ছাড়া একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মণখোলা বাজারে মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো.রমিজ উদ্দিন লন্ডনীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়।
মামলার বিষয়ে জানতে বাদী মাহবুবা ইসলাম মিলির ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে মেঘনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.শহীদুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয় বিএনপি নেত্রী মাহবুবা ইসলাম মিলি বাদী হয়ে মোহাম্মদ আলী সুমনকে প্রধান আসামি করে ৮৬ জনের নাম উল্লেখসহ একটি মামলা দায়ের করেছেন। এজাহারভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”