চুয়াডাঙ্গা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬ ১০:১৪ এএম
বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে তার মরদেহ দাফনের জন্য চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় এলাকায় নিজ বাড়িতে আনা হয়। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
স্থানীয়দের আপত্তির মুখে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর দাফন কার্যক্রম আটকে যায়। পরে সমঝোতার মাধ্যমে রাতে দাফন সম্পন্ন হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান এই তথ্য জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, বুধবার (১৩ মে) রাতে ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই নারী। তিনি সেখানে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে তার মরদেহ দাফনের জন্য চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় এলাকায় নিজ বাড়িতে আনা হয়। তবে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পরপরই দাফন নিয়ে আপত্তি তোলে স্থানীয়দের একাংশ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই নারী ছোটবেলা থেকেই নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়েও আপত্তি ছিল বলে দাবি করেন তারা। পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলা হয়। এসব কারণ দেখিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসীর সমঝোতায় রাত ১০টার দিকে তার দাফনকার্য সম্পন্ন হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় বিয়ে হয়েছিল। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি স্বামী-সন্তান রেখে ঝিনাইদহের শৈলকূপার আরেক ব্যক্তির সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন। পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তির জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।