× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কমলনগরে নিলামের আগেই সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬ ১৩:৪৪ পিএম

আপডেট : ১০ মে ২০২৬ ১৩:৪৭ পিএম

কমলনগরের আনন্দ বাজার এলাকায় নিলামের আগেই কাটা হচ্ছে সরকারি গাছ। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

কমলনগরের আনন্দ বাজার এলাকায় নিলামের আগেই কাটা হচ্ছে সরকারি গাছ। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে নিলামের আগেই বন বিভাগের ১৪টি গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দ বাজার এলাকায়।

সরেজমিনে গিয়ে রবিবার সকালে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের পাশে থাকা সরকারি গাছগুলো শ্রমিক দিয়ে কাটা হচ্ছে।

অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তার নাম আলী হোসেন সিরাজী।

বর্তমানে রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।

এর আগে তিনি হাজিরহাট ইউনিয়নে তহসিলদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দেড় লাখ টাকায় স্থানীয় হারুন ব্যাপারীর কাছে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। গত শনিবার থেকেই শ্রমিক দিয়ে গাছ কাটার কাজ শুরু হয় বলে জানান তারা।

বন বিভাগের অফিস সূত্রে জানা গেছে, গাছগুলো সরকারি টেন্ডারের আওতায় ছিল। এর আগেই গাছগুলোতে নম্বর দেওয়া হয়েছিল এবং চলতি মাসের ১৮ তারিখে টেন্ডার আহ্বানের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি গাছ বিক্রির আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে উন্মুক্ত নিলাম বা টেন্ডার করতে হয়। পরে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে গাছ হস্তান্তরের বিধান রয়েছে।

কিন্তু এসব নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঠ ব্যবসায়ী জানান, বন অফিসের এক কর্মচারীর যোগসাজশেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, প্রায় দেড় লাখ টাকায় গাছগুলো হারুন ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হারুন ব্যাপারী বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমি তহসিলদার সিরাজীর কাছ থেকে গাছ কিনেছি। তাই এখন গাছ কেটে নিচ্ছি।

অভিযুক্ত আলী হোসেন সিরাজী গাছ বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করলেও প্রতিবেদকের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি। পরে যোগাযোগ করবেন বলে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, নিষেধ করার পরও গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। নম্বর দেওয়া গাছ এভাবে বিক্রি হলে ঠিকাদারকে কী জবাব দেব।

তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাত উজ জামান বলেন, নিলাম ছাড়া সরকারি গাছ বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা