কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় নতুন রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দেলোয়ার হোসেন (৩৭) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলী গ্রামের মীরদা বাড়ির কাছে শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দেলোয়ার ওই গ্রামের আব্দুল মৃধার ছোট ছেলে।
আহতরা হলেন, বাতেন মৃধার পক্ষের আব্দুল আজিজ (৩৮) ও কামাল (৩৫)। অপর পক্ষের আহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন (৪৭) এবং তার শ্যালক মো. হালিম (৩৬)।
স্থানীয়রা জানান, গ্রামবাসীর উদ্যোগে একটি কাঁচা রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয় সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায়। রাস্তার একটি অংশ বাতেন মৃধার জমির ওপর দিয়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে বিরোধ চলছিল দুই পক্ষের ভেতর।
বিরোধ মীমাংসায় শুক্রবার রাতে একটি সালিস বৈঠক বসানো হয়, তবে বাতেন মৃধার পক্ষের কেউ উপস্থিত হননি সেখানে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সালিস শেষে বাড়ি ফেরার পথে ভুট্টাখেতের কাছে হামলার শিকার হন নাছির উদ্দীন। তার চিৎকার শুনে শ্যালক হালিম এগিয়ে গেলে কুপিয়ে তাকেও আহত করা হয়। এরপর সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষের ভেতর।
একই রাতে পুরোনো বাড়ি থেকে নতুন বাড়িতে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন দেলোয়ার হোসেন। ঘটনাস্থলেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে এ ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাছির উদ্দীনের পরিবারের সদস্যরা।
আহতদের প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে তাদের।
মেঘনা থানার ওসি (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। অভিযোগ পেলে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।