× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হাওরে স্বস্তির রোদ: ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক

মধ্যাঞ্চলীয় অফিস

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬ ১৫:২৯ পিএম

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বৃষ্টির পর রোদ ওঠায় কমছে নদ-নদীর পানি, ভেজা ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষকরা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বৃষ্টির পর রোদ ওঠায় কমছে নদ-নদীর পানি, ভেজা ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষকরা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

টানা বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার পর কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ধীরে ধীরে নদ-নদীর পানি কমার পাশাপাশি দেখা মিলেছে কাঙ্ক্ষিত রোদ। এতে দীর্ঘ উৎকণ্ঠার পর কৃষকদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

রোদ ওঠায় ভিজে যাওয়া ও পানিতে তলিয়ে থাকা ধান শুকাতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কিশোরগঞ্জ কার্যালয়ের বুধবারের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি কমে ৩.২৮ মিটারে নেমেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ২ সেন্টিমিটার কম।

চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি রয়েছে ২.৯৫ মিটার, কমেছে ১ সেন্টিমিটার। ভৈরববাজার পয়েন্টে মেঘনার পানি কমে ১.৬৪ মিটারে দাঁড়িয়েছে, যা ৭ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে বলেও জানিয়েছে কার্যালয়টি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, জেলার সব নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানির উচ্চতা বিপৎসীমার ৮৭ থেকে ৪১৬ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছে।

হাওরজুড়ে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য

সরেজমিনে দেখা যায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ ওঠায় হাওরজুড়ে আবার কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রোদ অব্যাহত থাকায় কৃষকরা ধান রক্ষা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

কেউ নিমজ্জিত ক্ষেত থেকে পানি সেচে ধান তুলছেন, আবার কেউ খলায় স্তূপ করে রাখা ভেজা ধান শুকাতে কাজ করছেন।

ধান সেদ্ধ করছেন দুই ব্যক্তি। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

এতে ধান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, অসময়ে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলায় প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে, এতে প্রায় ৫০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বিশেষ করে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন

এদিকে পানি পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তবে উজানের পানির চাপ বা নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত হলে নদ-নদীর পানি আবার বাড়তে পারে, এতে নতুন করে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার পরামর্শ দেন এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা