প্রশিক্ষণে নারীর ক্ষমতায়ন, দুগ্ধ খামারে নারীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা, সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে গরু পালন, সুষম খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ, কৃত্রিম প্রজনন, দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর খামার পরিচালনার বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক নারী খামারিকে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে দুধ সংগ্রহের জন্য বিনামূল্যে একটি করে মিল্ক নেট (দুধ ছাঁকনি) বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাটমোহর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. উম্মে আরেফিন এবং উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আসলাম হোসেন।
এছাড়া বক্তব্য দেন ব্র্যাক ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রজেক্টের মিল্ক কালেকশন অ্যান্ড প্রোডিউসার সার্ভিস বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার ডা. মো. মিজানুর রহমান, ম্যানেজার ডা. রিপন মিয়া ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. সোহেল রানা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহজাদপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ডা. মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন এরিয়া ম্যানেজার মো. ফরিদুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. স্বপন কুমার সরকার বলেন, “ব্র্যাক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নারী দুগ্ধ খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের স্বাবলম্বী করতে সহায়ক হবে এবং দেশের দুগ্ধ শিল্পকে আরও টেকসই করবে।”
বক্তারা জানান, বর্তমানে দুগ্ধ খামারে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়ছে। স্বল্প পুঁজিতে গাভী পালন করে নারীরা সহজেই আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারেন। এ লক্ষ্যেই দক্ষ নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে ব্র্যাক ডেইরি নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী খামারিরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও বাস্তবধর্মী উল্লেখ করে ব্র্যাক ডেইরির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।