× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাবা অন্ধ ও ছেলে প্রতিবন্ধী হলেও মেলেনি ভাতা কার্ড

সাইফুল হক মোল্লা দুলু,মধ্যাঞ্চল

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬ ১৪:৩২ পিএম

আপডেট : ০৪ মে ২০২৬ ১৪:৪১ পিএম

ভাতা না পেয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন অন্ধ বাবা ও প্রতিবন্ধী ছেলে। কোলাজ: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ভাতা না পেয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন অন্ধ বাবা ও প্রতিবন্ধী ছেলে। কোলাজ: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের পাড়িয়াপাড়া পাঁচলগোটা গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়া প্রায় ১৫ বছর ধরে দৃষ্টিশক্তিহীন।

তার একমাত্র ছেলে নাদিম হোসেন জন্ম থেকেই শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধী। 

তবে একই পরিবারে দুইজন প্রতিবন্ধী সদস্য থাকলেও আজ পর্যন্ত তারা কোনো সরকারি ভাতা কার্ড পাননি।

সরেজমিনে জানা যায়, মানিক মিয়ার সংসারে উপার্জনের কোনো স্থায়ী উৎস নেই। দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর থেকে তিনি কর্মক্ষম নন।

স্ত্রী নাদিরা বেগম ও তিন সন্তান নিয়ে তাদের সংসার চলে চরম অভাবের মধ্যে।

বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও ছোট মেয়ে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

তবে প্রতিবন্ধী ছেলের চিকিৎসা তো দূরের কথা, ন্যূনতম খাবারের সংস্থান করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারটিকে।

ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে মানিক মিয়া বলেন, “ভাতার কার্ডের জন্য বছরের পর বছর ইউনিয়ন পরিষদ আর সমাজসেবা অফিসে দৌড়াচ্ছি। কয়েকবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েও কোনো লাভ হয়নি।”

“এমনকি কার্ড পাওয়ার আশায় সাবেক এক নারী মেম্বারের স্বামীকে টাকাও দিয়েছিলাম, কিন্তু কাজ হয়নি”, অভিযোগ করেন তিনি।

মানিক মিয়া আরও অভিযোগ করেন, “একবার সাহায্যের আশায় ইউএনও স্যারের কাছে গিয়েছিলাম।

“এতে সমাজসেবা অফিসের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে আমার সঙ্গে উল্টো খারাপ ব্যবহার করেছে।”

অন্তত বাবা-ছেলের মধ্যে একজন ভাতার কার্ড পেলে তাদের জীবিকা কিছুটা সহজ হতো বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সুরুজ জানান, "এতদিন ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী ভাতার নতুন বরাদ্দ বন্ধ ছিল।

“কয়েকদিন হলো কিছু বরাদ্দ এসেছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি আমার সাথে যোগাযোগ করলে আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস বিষয়টিকে অমানবিক উল্লেখ করে বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার সরাসরি যোগাযোগ করলে দ্রুত যাচাই-বাছাই করে তাদের ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, প্রকৃত সুবিধাভোগী হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে ভাতা না পাওয়ায় পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে।

দ্রুত তাদের সরকারি সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা