নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:০৩ পিএম
আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১৬ পিএম
নবীনগরে সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে ঠিকাদারের হামলার শিকার হন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মির্জা তরিকুল ইসলাম। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে ঠিকাদারের হামলার শিকার হওয়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মির্জা তরিকুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। একই ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ঠিকাদার লোকমান হোসেন ১৭ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল প্রধান প্রকৌশলীর পক্ষে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ওয়াহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে মির্জা তরিকুল ইসলামকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বদলি করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৩ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মেরকুটা জিসি থেকে শিবপুর বাজার আরঅ্যান্ডএইচ সড়কের নির্মাণকাজে নিম্নমানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিদর্শনে যান এলজিইডির একটি দল। এ সময় ঠিকাদার লোকমান হোসেন তাদের কাজে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মির্জা তরিকুল ইসলামকে বাঁশ নিয়ে ধাওয়া করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে।
এ ঘটনায় ওই দিন সন্ধ্যায় নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রকৌশলী। তবে মামলার প্রধান আসামি লোকমান হোসেন এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। এ পর্যন্ত তার গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও ম্যানেজার ফোরকানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
উপজেলা এলজিইডি সূত্র জানায়, উপজেলার মেরকুটা বাজার থেকে শিবপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ প্রকল্পটির কার্যাদেশ পায় রাজশাহীর মেসার্স বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পে ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছিলেন লোকমান হোসেন। শুরু থেকেই সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠছিল স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
বদলির বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ফেরদৌস আলী বলেন, “বদলির আদেশটি কেন্দ্রীয়ভাবে হয়ে থাকতে পারে। সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।”