নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:০৪ পিএম
আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২৯ পিএম
নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং তার ভাই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সরকারি জায়গা দখল ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে শুক্রবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয়রা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি এবং তার ভাই যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সরকারি জায়গা দখল ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয়রা।
ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারে শুক্রবার বিকালের সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
এ সময় বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আতিক সরকার এবং জিনদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মজনু সরকার বক্তব্য দেন।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে।
তারা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই এই চক্রটি বাঙ্গরা বাজারের সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ বাজারের খালি জায়গায় ১৩টি ঘর নির্মাণ এবং মুরগি বাজারের সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২১ এপ্রিল সকালে চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি ও তার ভাই শফিক পুনরায় সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণের চেষ্টা করলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। এসময় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের উদ্ধার করে নবীনগর থানায় নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বাজার কমিটির সভাপতি শামীম আহমেদের দায়ের করা মামলায় চেয়ারম্যান রবি, তার ছোট ভাই রুবেল মিয়া (৩৮) এবং মামাতো ভাই পলাশ মিয়াকে (৩৬) গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।