বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩০ পিএম
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষককে কার্ড ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রাক্–পাইলটিং পর্যায়ে ‘কৃষক কার্ড’ পেলেন ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক।
টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষককে কার্ড ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
বগুড়ায় কৃষক কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক (মিলন)। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এসএম আমানুল্লাহ, বগুড়া আরডিএ'র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ, জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বক্তব্য দেন।
বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন জানান, প্রাক্–পাইলটিং (পরীক্ষামূলক), পাইলটিং ও দেশব্যাপী কার্যক্রম—এই তিন ধাপে পর্যায়ক্রমে সব কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দেবে সরকার। পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করে দেওয়া হবে এই কার্ড। এর মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ–সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কার্ডধারী কৃষকেরা। প্রাক্–পাইলটিং পর্যায়ে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি বা আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি, দুগ্ধ উৎপাদনকারী খামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির কৃষকও কৃষি কার্ড পাবেন। তবে বার্ষিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রণোদনাসুবিধা পাবেন শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক।
বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আরও জানান, প্রাক্–পাইলটিং পর্যায়ে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লকে নির্বাচিত ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষকের মধ্যে ১ হাজার ১৪১ জনই ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক। তাঁদের প্রত্যেকের ব্যাংক হিসাব নম্বরে ইতিমধ্যে এক বছরের প্রণোদনা বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাঠানো হয়েছে।