কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা।
কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) শনিবার ও রবিবার পর্যায়ক্রমে এসব কাছিমের বাচ্চা সাগরে ছাড়ে।
কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কোডেক পরিচালিত ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে এসব কাছিমের বাচ্চা অবমুক্ত করা হয়। স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় পরিচালিত এ উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
লিয়াকত আলী আরও জানান, প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ করা হয়, এবং সেখান থেকে বাচ্চা ফোটানোর পর সাগরে অবমুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি কাছিমের বাচ্চা সাগরে ছাড়া হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, উপকূলীয় এলাকায় মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কাছিমের আবাসস্থল রক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাহারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মঞ্জুর বলেন, “সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি। এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ এবং স্থানীয়দের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।