গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৩৩ এএম
আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২:১৫ পিএম
গাজীপুর সদরে রবিবার হাম প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
সরকার শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছি, ইনশাআল্লাহ ভয়ের কোনও কারণ নেই।
গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে রবিবার সকালে শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ডা. এম এ মুহিত বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পদক্ষেপ নিয়েছে। যে জায়গাগুলোতে ঘাটতি আছে, আমরা দায়িত্ব নিয়েছি এবং দায়িত্ব নিচ্ছি। ঘাটতিগুলো পূরণ করছি, টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, কর্মসূচি চলবে। কোনো রকম ঘাটতি আমরা রাখব না। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, সচেতন করুন যেন সবাই টিকা নেয়। যত বেশি শিশু এই টিকার আওতায় আসবে আমরা তত বেশি নিরাপদ থাকব।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতিমধ্যে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কর্মসূচি শুরু করেছি। সরকার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছে। টিকাদান বিষয়ক একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ কমিটি রয়েছে। আমরা প্রতিদিন সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোন কোন উপজেলা বেশি আক্রান্ত সেগুলো শনাক্ত করছি। বিশেষজ্ঞ কমিটি আমাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছে। আমাদেরকে সহযোগিতা করছে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা তথ্য ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সরকার ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আমি সরকারের পক্ষ থেকে বলতে চাই আমাদের সরকার এই শিশুদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে ও দিবে। একটি শিশুও টিকার বাইরে থাকবে না। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি, ইনশাআল্লাহ ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা আজকে টিকা দিচ্ছেন, তারা বাড়ি গিয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের শিশুদেরকে পাঠিয়ে দিবেন টিকা নেওয়ার জন্য।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর জেলা প্রশাসক, গাজীপুর পুলিশ সুপার, গাজীপুর জেলা সিভিল সার্জন, ইউনিসেফের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তারা।