ইরান যুদ্ধ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬ ১১:৫০ এএম
আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৬ ১১:৫১ এএম
ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় সোমবার ‘কোবরা’ নামে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ছবি: রয়টার্স
ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে যুক্তরাজ্য সরকার। এ পরিস্থিতিতে সোমবার ‘কোবরা’ নামে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, দেশের অর্থনীতিতে যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় রেখেই এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে অংশ নেবেন অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি।
এছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার ও জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডও উপস্থিত থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারকদের নিয়ে বৈঠকটি বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে।
ইরানের হুঁশিয়ারি
এদিকে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় আঘাত হানা হবে।
এই উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজার নতুন করে অস্থির হয়ে উঠেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। দেশটির অর্থনীতি ইতোমধ্যেই বিভিন্ন চাপে রয়েছে।
সরকারি বন্ডের দরপতন
বিশেষ করে আমদানি করা গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতি এবং সরকারি অর্থ সংকট পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় যুক্তরাজ্যের সরকারি বন্ডের দর দ্রুত কমে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘কোবরা’ বৈঠকে সাধারণ জনগণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্প খাতের সক্ষমতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতাও গুরুত্ব পাবে আলোচনায়।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়েও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস বলেন, যুদ্ধের প্রভাব এখনই নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন। পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের ব্যয়-সাশ্রয়ী পদক্ষেপ আপাতত নেওয়া হচ্ছে না।
তবে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাতে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।