মধ্যাঞ্চলীয় অফিস
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬ ১০:২৯ এএম
বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবদুল হক নূর। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবদুল হক নূরু রবিবার বিকাল তিনটার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা, বড় ভাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আবদুল হক দীর্ঘদিন ধরে যকৃতজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। গত দুই মাস ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
১৯৫৭ সালের ৫ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে তার জন্ম। তিনি কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, গুরুদয়াল সরকারি কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন।
মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষানুরাগী আবদুল হক শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
তিনি তার মায়ের নামে তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং মিঠামইন কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দীর্ঘদিন কলেজটির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে কলেজটির নাম পরিবর্তন করে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজ রাখা হয়।
মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
বর্তমানে তার মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে। হেলিকপ্টারে করে সোমবার তার মরদেহ মিঠামইনে নেওয়া হবে।
একইদিন বাদ জোহর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে কামালপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে তাকে।