× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিশ্ব পানি দিবস

গারো পাহাড়ে সুপেয় পানির সংকটে ৩০ হাজার মানুষ

মো. নাঈম ইসলাম, শেরপুর

প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২৬ ১৬:২২ পিএম

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৬ ১৬:৪৬ পিএম

বিশুদ্ধ পানির অভাবে বাধ্য হয়ে পুকুর, ঝর্ণা ও কুয়ার পানি ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা। কাঁখে কলস নিয়ে পানি আনতে যাচ্ছেন কয়েকজন নারী। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বিশুদ্ধ পানির অভাবে বাধ্য হয়ে পুকুর, ঝর্ণা ও কুয়ার পানি ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা। কাঁখে কলস নিয়ে পানি আনতে যাচ্ছেন কয়েকজন নারী। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ি অঞ্চলে এখনও নিশ্চিত করা যায়নি সুপেয় পানির ব্যবস্থা। প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুম এলেই এসব এলাকার হাজারো মানুষ তীব্র পানির সংকটে পড়েন।

বিশুদ্ধ পানির অভাবে বাধ্য হয়ে পুকুর, ঝর্ণা ও কুয়ার পানি ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি কৃষিকাজও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ বাড়িতে টিউবওয়েল থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১০০ থেকে ১২০ ফুট নিচে নেমে যায়। ফলে সাধারণ টিউবওয়েলগুলো অকেজো হয়ে পড়ে।

কেবল কিছু সচ্ছল পরিবার সাবমার্সিবল পাম্প ব্যবহার করে পানির চাহিদা মেটাতে পারছে।

শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার অন্তর্গত মালাকোচা, টিলাপাড়া, নওকুচি, গজনী, গারোপাড়া, লক্ষ্মীকুড়া, ধানশাইলসহ অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ এ সংকটে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলার নওকুচি এলাকার আদিবাসী গৃহিণী সিলভী রাণী কোচ অভিযোগ করে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা পানির সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেও পরে আর কেউ খোঁজ নেন না।

তিনি বলেন, “আমাদের ১৫টি বাড়ির জন্য একটি টিউবওয়েল দিলেই অনেক উপকার হতো।”

একই উপজেলার মালাকোচা গ্রামের কৃষক সোহেল রানা ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, “সরকার পানি দেবে—এই কথা অনেক শুনছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ খোঁজ নেয়নি। 

“আমরা পুকুরের দূষিত পানি খেয়ে অসুস্থ হচ্ছি। আমাদের গভীর নলকূপ বা সাবমার্সিবল পাম্প দরকার।”

বেসরকারি সংস্থা এসএইচআরএসের তথ্যমতে, এ তিন উপজেলার প্রায় ২০টি গ্রামের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ কোনো না কোনোভাবে সুপেয় পানির সংকটে ভুগছেন। তবে এই সমস্যা সমাধানে এখনও বড় ধরনের সরকারি উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে সীমান্তবর্তী এসব এলাকার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়ে। ফলে বিশুদ্ধ পানির অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পাহাড়ি অঞ্চলে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এ সংকট দেখা দেয়।

তিনি জানান, বিষয়টি জরিপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা