(ভূঞাপুর) টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬ ১৯:০১ পিএম
যমুনা সেতু। ফাইল ফটো
ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, রবিবার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৫৮৩টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা। আর উত্তরবঙ্গগামী ২০ হাজার ৭৫টি যানবাহন থেকে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “ঈদযাত্রা শুরু হওয়ায় আগের তুলনায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বর্তমানে সেতুর দুই পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি টোল বুথ চালু রয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য দুই পাশে আলাদা বুথ রাখা হয়েছে”।
মঙ্গলবার সকাল থেকে মহাসড়কের গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা এবং যমুনা সেতুর পূর্বপাড় এলাকায় উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রীদের ব্যাপক চাপ দেখা গেছে। দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় যাত্রীদের গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।
এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেল থেকে সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেন সড়ক থাকায় চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত চারলেন নির্মাণকাজ চলমান থাকায় কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে। যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে চারটি সেক্টরে ভাগ হয়ে প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু চালুর পর থেকে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে। বর্তমানে সেতুর টোল ব্যবস্থাপনায় চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন দায়িত্ব পালন করছে।