× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রাজবাড়ীতে জ্বালানি সংকট: ফিলিং স্টেশনে ভিড়, চালকদের ক্ষোভ

মেহেদী হাসান রনি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:০৫ পিএম

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:২৮ পিএম

রাজবাড়ীতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের ঘাটতির খবর ছড়িয়ে পড়ায় পাম্পগুলোতে চালকদের ভিড় বাড়তে থাকে। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

রাজবাড়ীতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের ঘাটতির খবর ছড়িয়ে পড়ায় পাম্পগুলোতে চালকদের ভিড় বাড়তে থাকে। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

রাজবাড়ীতে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের ঘাটতির খবর ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে চালকদের ভিড় বাড়ছে। তবে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল না পাওয়ায় চালকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

মেহেদী হাসান রনি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

রাজবাড়ী শহরের কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে শুক্রবার এমন চিত্র দেখা গেছে।

অনেক পাম্পেই তেলের বিক্রি সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। কোথাও ১০০ টাকার বেশি, আবার কোথাও ২০০ টাকার বেশি পেট্রোল বা অকটেন দেওয়া হচ্ছে না।

পাম্পে দীর্ঘ লাইন তবে বিক্রি সীমিত

রাজবাড়ী শহরের পলাশ ফিলিং স্টেশনে দেখা যায়, দুটি অকটেন বুথ থাকলেও একটিতে তেল শেষ হয়ে গেছে।

অন্য বুথ থেকে সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে। ফলে মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও সরকারি গাড়ির দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে।

এতে চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে।

রাজবাড়ী ফিলিং স্টেশনেও মোটরসাইকেল চালকদের ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল বা অকটেন দেওয়া হচ্ছে না।

একই অবস্থা দেখা গেছে শহরের নতুন বাজার এলাকার কাজী ফিলিং স্টেশনেও। সেখানে মোটরসাইকেল চালকদের সর্বোচ্চ ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে।

তেল সীমিত করে দেওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে চালকদের সঙ্গে পাম্প কর্মীদের বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটছে।

পলাশ ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার বিপুল কুমার বৈদ্য জানান, গত বৃহস্পতিবার মেঘনা পেট্রোলিয়াম থেকে তারা কোনো জ্বালানি তেল পাননি। অথচ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের গাড়িতে নিয়মিত তেল সরবরাহ করতে হয় বলে তাদের চাহিদা বেশি।

সরবরাহ না পাওয়ায় পাম্পে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে বলে  উল্লেখ করে তিনি বলেন, “পেট্রোল গতকাল থেকেই নেই। অকটেনও অল্প আছে, কিছু সময় পর সেটাও শেষ হয়ে যাবে। ডিজেলের অবস্থাও একই রকম।”

রাজবাড়ী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার দুর্জয় বলেন, “ডিপোতেই তেল নেই। তাই আমরাও সরবরাহ পাচ্ছি না। মেঘনা ও যমুনা—দুই ডিপো থেকেই তেল নেওয়া হয়, কিন্তু এখন দুটিই প্রায় খালি। 

“যে পরিমাণ মজুত আছে, তা রোববার পর্যন্তও চলবে না। তার আগেই পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে।”

তেল না পেয়ে ক্ষোভ চালকদের

এদিকে তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক চালক।

রাজবাড়ী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, “আমি এক হাজার টাকার তেল নিতে এসেছিলাম, কিন্তু তারা মাত্র ১০০ টাকার তেল দিয়েছে। এই তেল দিয়ে বাড়ি পর্যন্ত যেতে পারব কি না জানি না।”

আরেক চালক কামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, “তেলের দাম বাড়ানোর জন্য পাম্পগুলো কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।”

পলাশ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি আধা ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু এখনও তেল পাইনি।”

কাজী ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার আব্দুর রাজ্জাক জানান, পাম্প মালিকদের নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে ১০০ থেকে ২০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না।

প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে এবং কৃষকদের ক্ষেত্রেও ১০ লিটারের বেশি তেল দেওয়া যাচ্ছে না বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড় এলাকার দুটি পাম্প—করিম পাম্প ও সপ্তবর্ণা পাম্পেও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে।

সেখানে বাসে এক থেকে দুই হাজার টাকার বেশি ডিজেল দেওয়া হচ্ছে না এবং পেট্রোলও ১০০ থেকে ২০০ টাকার বেশি দেওয়া হচ্ছে না। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা