মেডিক্যাল প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬ ১২:২৭ পিএম
ফাইল ফটো
ঢাকার উত্তরায় একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
উত্তরার কামারপাড়া ১০ নম্বর সেক্টরের কবরস্থান রোড এলাকায় শুক্রবার ভোরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— মো. রুবেল (২৮), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া আক্তার (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই মো. এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩০), এনায়েতের ভাগনি আয়েশা আক্তার (১৯) এবং আবু কালাম রুবেল (৩৫)।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সাজেদ মাতব্বর জানান, ভোরের দিকে উত্তরার কামারপাড়া এলাকায় মেম্বারের বাড়ির পাশে আবুল কালামের দ্বিতীয় তলার বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আগুন লেগে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা ভর্তি করেন।
তিনি আরও জানান, দগ্ধ রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং চালক। তার চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী ছিলেন এবং কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, উত্তরার কামারপাড়া এলাকা থেকে নারী ও শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে শিশু রোজার শরীরের ১৮ শতাংশ, সোনিয়া আক্তারের ১০০ শতাংশ, রুবেলের ৩২ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, এনায়েত আলীর ৪৫ শতাংশ, দুলারা খাতুনের ১৪ শতাংশ, আবু কালাম রুবেলের ৭ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশা আক্তারের ১২ শতাংশ এবং রিয়া আক্তারের শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
তিনি আরও জানান, যাদের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ বেশি, তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। অন্যদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।