প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৯ পিএম
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৯ পিএম
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: ভিডিও থেকে
সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে নদী, খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দৃশ্যমান করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
সচিবালয়ে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বিষয়ক আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, “আজকে আমরা মিটিং করেছি। সিদ্ধান্ত হয়েছে চারটা মন্ত্রণালয় আমরা বসে, বিশেষ করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়সহ। আমরা এই চারটা মন্ত্রণালয় বসবো আলোচনা করব এবং পরবর্তী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা কিভাবে খালখনন এই প্রক্রিয়াটা একটা কর্মসূচি এবং বিপ্লব আকারে নিয়ে এই আন্দোলনটাকে সাকসেস করতে পারি। সেই সমূহ সিদ্ধান্ত আমরা পৌঁছাবো এবং আমাদের কার্যক্রম ১৮০ দিন। আমরা শুরু করব এবং ম্যাক্সিমামটা করার চেষ্টা করব ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান।
‘খাল খননে একসময় হয়েছিল মহাবিপ্লব’
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, “খালখনন কর্মসূচিতে তো একটা বিপ্লব এবং প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব উনার জীবদ্দশায় এই কর্মসূচিটা নিয়ে বাংলাদেশের একটা মহাবিপ্লবে পরিণত করেছিলেন। তো দীর্ঘদিন থেকে আমরা দেশবাসী ভুক্তভোগী যে, খালখননও নাই এবং এই যে পানি জলাবদ্ধতা অথবা জলাশয়ে কোন পানি নাই, সেচের ব্যবস্থা নাই, সবকিছু থেকে দেশবাসী আমরা বঞ্চিত”।
তিনি বলেন, “আমাদের এবার নির্বাচনি ম্যানিফেস্টোতে আমাদের প্রাইম মিনিস্টার তারেক রহমান নির্বাচনের আগ থেকেই তিনি বারবার এই কথাটা উল্লেখ করেছেন এবং খাল খনন প্রক্রিয়াটাকে পুনঃখণনের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে নিয়ে আসবেন আমরা যেন দেশের মানুষ সেই বেনিফিটটা পাই।
নির্দিষ্ট লক্ষ্য এখনো ঠিক হয়নি
সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারিত হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, “এলাকার ব্যাপারে তো সিদ্ধান্ত হয়নি। কোথায় কোথায় আমাদের জল দেওয়ার প্রয়োজন, পানি প্রয়োজন এটা দেখতে হবে। সারা বাংলাদেশে আমাদের কিছু চলমান প্রোগ্রাম আছে। খালকাটা আছে। ওর মধ্যে সেই খাল খনন কর্মসূচিটা করতে হলে এটা চারটা মিনিস্ট্রির একটা কনসার্ন। কবে নাগাত আমরা শুরু করতে পারব এটা আমরা এই সপ্তাহে বসে সিদ্ধান্ত নিব”।
প্রাথমিকভাবে কি কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যে কত কিলোমিটার খাল খন করা হবে, এমন প্রশ্নে জবাবে মন্ত্রী বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত এই ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিই নাই যে কত কিলোমিটার করব। তবে ম্যাক্সিমামটা করব”।