চট্টগ্রাম বন্দর
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৩৯ এএম
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৪১ এএম
চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: সংগৃহীত
শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে স্থবির হওয়া চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। রবিবার দিবাগত রাতে আন্দোলনকারী শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করার পর সোমবার সকাল ৮টা থেকে বন্দরের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেটিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানো শুরু হয়েছে। বহির্নোঙরে বড় জাহাজ পণ্য খালাস চলছে। একই সময়ে কন্টেইনার ডেলিভারি কার্যক্রমও চলছে।
এর আগে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়াসহ চার দফা দাবিতে রবিবার থেকে পুনরায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসে। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে চুক্তি হচ্ছে না- সরকারের এমন ঘোষণার পর ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।
রবিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে সংগঠনটির নেতারা ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেন।
বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের দুই সমন্বয়ক হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি নিয়ে মাননীয় উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী কর্তৃক সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রদত্ত বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমান সরকারের আমলে এনসিটি চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ৫ জন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার ও হয়রনিমূলক মামলা প্রদান, ১৫ জন কর্মচারীকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দরে হয়রানিমূলক বদলি, আন্দোলনরত কর্মচারীদের নানাবিধ শাস্তি প্রদান, বাসা বরাদ্দ বাতিল এবং আন্দোলনরত ১৬ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তসহ নানাবিধ শান্তি প্রদান করা হয়। এসব বিষয়ে, আমাদের নেতৃবৃন্দের সহিত সন্তোষজনক আলোচনার প্রেক্ষিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও রমজানের পণ্য রিলিজ করার স্বার্থে আমরা চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ধর্মঘটের কর্মসূচী আজ ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করছি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উক্ত তারিখের মধ্যে উপরোক্ত ৫টি সমস্যা সমাধান না হলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।