কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:৪৬ পিএম
আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:০৪ পিএম
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমকে ঘিরে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উপজেলা খাদ্য বিভাগ, মিল মালিক ও একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।
কোনো প্রকার সরেজমিন পরিদর্শন ছাড়াই সম্পূর্ণ অচল, বিদ্যুৎ সংযোগবিহীন এবং অস্তিত্বহীন হাসকিং চাতাল ও অটোরাইস মিলের নামে বিপুল পরিমাণ চাল সংগ্রহের বরাদ্দ দেওয়ার ঘটনা প্রকাশের পর তড়িঘড়ি করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা খাদ্য বিভাগ।
জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আমন মৌসুমে ক্ষেতলাল উপজেলা খাদ্য গুদামে মিলারদের মাধ্যমে ২ হাজার ২৯০ টন সিদ্ধ চাল এবং কৃষক পর্যায়ে ১১১ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত বছরের ২৪ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
এই লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা খাদ্য বিভাগ ৪১টি হাসকিং চাতাল ও ৪টি অটোরাইস মিলকে সচল দেখিয়ে বরাদ্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। বরাদ্দ তালিকা অনুযায়ী ৪১টি হাসকিং চাতাল থেকে গড়ে ১১ দশমিক ৮২০ টন করে সিদ্ধ চাল এবং ৪টি অটোরাইস মিল থেকে মোট ১ হাজার ৭৬৮ টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের চুক্তি করা হয়।
তবে সরেজমিন দেখা যায়, তালিকাভুক্ত ৪১টি হাসকিং চাতালের একটিও বর্তমানে চালু নেই। অধিকাংশ চাতাল বহু বছর আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শাকিল আহমেদ জানান, পরিত্যক্ত চাতালের নামে চাল বরাদ্দের ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুত বিভাগীয় কমিটিও গঠন হবে, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।