প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:০৫ এএম
ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাককর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে গাছে ঝুলিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা এবং লক্ষ্মীপুরে ঘরে আগুন দিয়ে এক শিশুকন্যা হত্যার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মানবাধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে ওই দুই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। এ ধরনের নৃশংস সহিংসতা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে আসক মনে করে। সংগঠনটি বলেছে, বারবার এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, উস্কানিদাতা, পরিকল্পনাকারী ও সংঘবদ্ধ সহিংসতায় মদদদাতাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিষয়গুলোও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত প্রয়োজন। বিবৃতিতে বলা হয়, ময়মনসিংহের ভালুকায় কথিত ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ গাছে বিবস্ত্র অবস্থায় ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীরই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার নেই। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তদন্ত ও বিচারের দায়িত্ব একমাত্র আদালতের। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লক্ষ্মীপুর জেলায় ১৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা বেলাল হোসেনের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা তালা লাগিয়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঘরের ভেতরে থাকা সাত বছর বয়সি এক শিশুকন্যা দগ্ধ হয়ে নিহত হয়। এই ঘটনা রাজনৈতিক সহিংসতার পাশাপাশি শিশু অধিকার ও মানবিকতার চরম লঙ্ঘনের এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।