কক্সবাজার ও ভাণ্ডারিয়া প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২১:৩৬ পিএম
বিজয়ের উচ্ছ্বাসে দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়েছে। কক্সবাজার ও ভাণ্ডারিয়ায় শুরু হয়েছে বিভিন্ন আকারের বিজয় মেলা, যেখানে রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রঙিন আয়োজন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য ও নানাবিধ বিনোদন। এই মেলাগুলো কেবল আনন্দ উৎসব নয়, বরং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার এক অনন্য সুযোগ।
‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয় আমাদের অহংকার’Ñ এই স্লোগানে কক্সবাজারে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকালে পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ দৌলত ময়দানে জাতীয় সংগীত ও বেলুন উড়িয়ে বিজয় উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রুহুল আমিন মুকুল।
এ সময় বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল মতিন আজাদ, ক্রীড়া সংগঠক ডিএম রুস্তম, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার এম নাছির উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিদ্যুৎ মজুমদার দেবদূত, মেলা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ, কো-চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, আহ্বায়ক সুবিমল পাল পান্না ও সদস্যসচিব নাছির উদ্দিন।
উদ্বোধনের পর বের করা হয় বর্ণাঢ্য র্যালি। এরপরই বিজয়মঞ্চে চলে শিল্পীদের নান্দনিক পরিবেশনা। ৫ দিনের এই উৎসব ঘিরে শহীদ দৌলত ময়দানে বসেছে প্রাণের মেলা। মেলায় স্থান পেয়েছে নারী উদ্যোক্তাদের হাতে বানানো পিঠাপুলিসহ হস্ত ও কুঠির শিল্পের চোখ ধাঁধানো নানা পণ্য।
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভাণ্ডারিয়ায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলা। বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদার। বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন শেষে অতিথিরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুদেব সরকার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মো. রুহুল আমিনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদার বলেন, বিজয় মেলা কেবল আনন্দ বা বিনোদনের আয়োজন নয়, এটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ।