× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শ্রীপুরের লবলং খাল

খননের সময় খেজুরসহ ৪৯ গাছ উপড়ানোর অভিযোগ

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:৫৯ পিএম

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:২৩ পিএম

খননের সময় খেজুরসহ ৪৯ গাছ উপড়ানোর অভিযোগ

কৃষক চাঁন মিয়ার অভিযোগ, আমার ২৪টি খেজুর গাছ উপড়ে ফেলেছে। ওই ২৪টি গাছে তিন মণ রস হতো। প্রতি কেজি রস ৮০ টাকায় বিক্রি করেছি। শীত মৌসুমে ওইসব গাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার উপরে রস বিক্রি করতাম। খেজুর গাছ ছাড়াও ২৫টি নিম (ঔষধি) গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।

আমি এসবের ক্ষতিপূরণ চাই। কথাগুলো বলছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুরের লবলং খাল খননের সময় উপড়ে ফেলা ৪৯টি গাছের মালিক উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের ইন্দ্রবপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত চাঁন মিয়া (৫৮)।

বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন এবং স্থানীয় সচেতন মহলের দাবির প্রেক্ষিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড শ্রীপুরের লবলং খাল খননের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স খালের ২৯ কিলোমিটার এলাকায় খননের কাজ পেয়ে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে কাজ শুরু করেন। ইতোমধ্যে খালের কয়েক কিলোমিটার খননকাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় কৃষক জয়নাল আবেদীন এবং আব্দুর রাজ্জাক বলেন, লবলং খালের পাশে কৃষক চাঁন মিয়ার রোপণকৃত ফলদ ও ঔষধি জীবন্ত গাছগুলো এক্সকাভেটর চালক কৃষককে না জানিয়ে উপড়ে ফেলেছে।

রিভার অ্যান্ড ন্যাচার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং শ্রীপুর পৌর সচেতন নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম বলেন, গাছগুলো না কেটেও খনন চালানো যেত। খননের নামে অহেতুক কৃষকের গাছগুলো উপড়ে ফেলা হয়েছে। কৃষক চাঁন মিয়া গাছগুলো থেকে খেজুর রস সংগ্রহ করতেন। অসহায় কৃষকের ক্ষতি করা মোটেও ঠিক হয়নি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।

শ্রীপুর উপজেলা নদী পরিব্রাজক দলের সভাপতি সাঈদ চৌধুরী তার ফেসবুকে ওয়ালে  লেখেন, বৃহস্পতিবার লবলং খনন দেখতে গেলাম ইন্দ্রবপুর ব্রিজে। খনন করার সময় অনেকগুলো খেজুর গাছ কাটা হয়েছে। এই গাছগুলো না কেটেও কাজটি করা যেত। আমাদের একটি কাজে অন্য আরেকটি ক্ষতির প্রবণতা অনেক বেশি। এ গাছগুলো পরিকল্পনাহীনভাবে যারা কেটেছেন তাদের শাস্তি দাবি করছি।

ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্সের ঠিকাদার আতাউর রহমান জানান, খালের দুই পাড় দিয়ে এক্সকাভেটর (ভ্যাকু) চলাচলের জন্য জায়গা পরিষ্কার করতে হয়। যদি এক্সকাভেটর না যেতে পারে তাহলে কিছু অংশ খননের বাকি থাকে। তাই প্রয়োজনে ওই কৃষকের খেজুরগাছ এবং কিছু লাকড়ির গাছ কর্তন করতে হয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ বলেন, আমাকে এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। কাজটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের এবং ওই কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা বললে ভালো হয়।

গাজীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী রায়হান খানকে (০১৮১৬-৭১৫৩১৪) একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা