মধ্যাঞ্চলীয় অফিস
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:৫৪ পিএম
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:১২ পিএম
দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকার পর কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের বালিখলা-শান্তিপুর-মিঠামইন রুটের দুটি ফেরি চলাচল আবার চালু হয়েছে। ফেরি চালু হওয়ায় হাওরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ মে বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কিশোরগঞ্জের ঘোরাউত্রা, ধনুসহ কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। পানিবৃদ্ধির ফলে হাওরের সঙ্গে করিমগঞ্জের বালিখোলা ও চামড়াঘাট, মিঠামইনের শান্তিপুর ফেরিঘাট, ইটনার বড়িবাড়ি ও বলদা ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক তলিয়ে যায়। এ সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর হাওরাঞ্চলে চলাচল করা ফেরিগুলো বন্ধের ঘোষণা দেয়। ফেরি বন্ধ থাকায় অনেকেই ছোট ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সাহায্যে কোনোমতে শহরে যাতায়াত করে হাওরের মানুষজন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কিশোরগঞ্জ জেলা সদর থেকে করিমগঞ্জ উপজেলার বালি খোলা হয়ে হাওরের তিন উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন হাজার হাজার মানুষ। আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত যাতায়াতের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বালিখলা-শান্তিপুর-মিঠামইন রুটে ফেরি চলাচল আবার চালু হয়।
এর আগে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পানি কমে যাওয়ায় ফেরি সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অনুমোদনে মেসার্স ঐশী এন্টারপ্রাইজ আগামী তিন বছর ফেরি ও টোল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে।
টোল ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানটির মালিক আজহারুল ইসলাম ফকির রতন বলেন, যাত্রীদের সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়ম মেনে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সময়সূচি বজায় রাখা, ভিড় কমানো এবং ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি বেশকিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানান, ঘাটগুলোর সেবার মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের নিয়মিত তদারকি চলছে।