গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:৫৫ পিএম
আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:২৬ পিএম
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য।
শুক্রবার
(৫ ডিসেম্বর) গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে
সকালে গৌরনদী মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের
পর ওইদিন দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ
জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত
একটি সিএনজি ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, সরঞ্জামাদিসহ
চার ডাকাতকে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতরা
হলোÑ গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের খানাবাড়ী গ্রামের মালেক জমাদ্দারের ছেলে হৃদয়
জমাদ্দার ও তার ভাই তারেক জমাদ্দার, পিরোজপুরের নেছারাবাদ এলাকার বাবুল শরীফের ছেলে
তসলিম শরীফ এবং বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী এলাকার আনন্দ মন্ডলের ছেলে অশোক মন্ডল।
স্থানীয়
ব্যবসায়ীরা জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে একটি সিএনজিতে চার যুবককে দেখে
বাটাজোর বন্দরের পাহারাদারদের সন্দেহ হয়। পরবর্তী সময়ে তাদের গতিরোধ করার চেষ্টাকালে
তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সহায়তায় ধাওয়া করে ওই সিএনজির
চালকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে গণপিটুনি দিয়ে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে স্থানীয়রা। গৌরনদী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল
ইসলাম বলেন, আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য বাটাজোরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে স্থানীয়রা ওই চার ডাকাতকে করে পুলিশের
কাছে সোপর্দ করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি দেশীয় ধারালো রাম দা, ডাকাতির কাজে
ব্যবহৃত একটি সিএনজি ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত তারেক জমাদ্দারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন
থানায় পাঁচটি, তসলিম শরীফের বিরুদ্ধে দুইটি ও অশোক মন্ডলের বিরুদ্ধে ১টিসহ বিভিন্ন
থানায় ডাকাতির মামলা রয়েছে।
গৌরনদী
মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, রাতে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে
থানা পুলিশ পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে চার ডাকাতকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তী সময়ে তাদের উপজেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী
হয়ে থানায় একটি মামলা করেছে। মামলা দায়েরের পর শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ
করা হয়েছে।