হিলি (দিনাজপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:৩৬ পিএম
দিনাজপুরে শুক্রবার সকালে ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল শহর ও আশপাশের গ্রামাঞ্চল। প্রবা ফটো
দিনাজপুরে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৪ শতাংশ। পরে সকাল ৯টার দিকে তাপমাত্রা আরও কমে দাঁড়ায় ১২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের অন্যতম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শীত বাড়ার পাশাপাশি সকালজুড়ে ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল শহর ও আশপাশের গ্রামাঞ্চল। এতে অফিস, আদালত, শিক্ষার্থী, দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষের চলাফেরায় ধীরগতি দেখা যায় এবং জনজীবনে ভোগান্তি বাড়ে।
এ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রার তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। তেতুলিয়া (পঞ্চগড়) ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রংপুর ১৫.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সৈয়দপুর ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডিমলা (নীলফামারী) ১৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বগুড়া ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঈশ্বরদী (পাবনা) ১৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজশাহী ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বদলগাছি (নওগাঁ) ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যশোর ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, চুয়াডাঙ্গা ১২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) ১২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া ও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, উভয় জায়গায় ১২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দিনাজপুর জেলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, উত্তর দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হওয়া এবং সেই সঙ্গে রাতে আর্দ্রতা বেশি থাকার ফলে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাচ্ছে। আগামী কয়েকদিন শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। শিশু, বয়স্ক ও দুর্বল স্বাস্থ্যের মানুষদের জন্য বিশেষ সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
শহরের বিভিন্ন এলাকার দিনমজুররা জানান, ঠান্ডায় ভোরে কাজে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে; অনেকেই দেরিতে কাজে যোগ দিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরাও বলেন, সকালে কুয়াশা বেশি থাকায় যানবাহন কম বের হচ্ছে, ফলে বাজারে ক্রেতা সমাগম কমে যাচ্ছে।