বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:৩৭ পিএম
বগুড়ার কৃষি বিভাগের উপ পরিচালক মশিদুল হকের কাছে চাঁদা দাবি, মব সৃষ্টির চেষ্টা ও হানিট্র্যাপের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলার তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না থাকায় মামলা থেকে দায়মুক্তি দিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বগুড়া কৃষি বিভাগের জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার (উপ পরিচালক) মশিদুল হকের নামে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছিলেন রত্না পারভীন নিপা নামের এক নারী। সাক্ষ্য প্রমাণে তার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত কৃষি কর্মকর্তাকে মামলার দায়মুক্তির জন্য গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, কৃষি কর্মকর্তার দায়ের করা হানিট্র্যাপ, চাঁদা দাবির মামলার তদন্তে আলামত ও সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে তুলে নিয়ে নারীসঙ্গের চিত্র ধারণ এবং ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি করা হয়। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িত দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতে গত ১০ অক্টোবর চার্জশিট দাখিল করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন- বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকার রত্না পারভীন নিপা এবং সেউজগাড়ীর সৌরভ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যোগদান করেন মশিদুল হক। গত ১৫ জুন বগুড়া জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে শহরের জলেশ্বরীতলা ইয়াকুবিয়া মোড়ে তাকে পথরোধ করে আসামিরা কৌশলে নিয়ে যায়। জড়িতরা ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্ত সাজিয়ে চিত্র ধারণ করে এবং ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। এ ঘটনায় ১ আগস্ট বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করেন মশিদুল হক।