রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:২৭ পিএম
আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:৩৫ পিএম
রামপালে জমি ও দোকান বেচেও পাওনা টাকা না পাওয়ায় ভুক্তভোগী নারী কণিকা হালদার সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় সন্তোষপুর ফয়লাহাটে তার বেচা দোকানের সামনে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
এতে লিখিত বক্তব্যে কনিকা হালদার জানান, ২০২১ সালে তিনি গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের কাছে ১১ শতক জমি ও দোকানঘর বেচেন। সেই সময় মোট ৬৫ লাখ টাকার চুক্তিতে তিনি জমি ও দোকানঘর বেচেন বলে জানান। চুক্তি অনুযায়ী ক্রেতা নগদ ২৫ লাখ টাকা দিয়েছেন। বাকি ৩৫ লাখ টাকার একটি চেক দিয়েছেন। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি গ্রহীতা আব্দুর রহমান কৌশলে চেকটি ফিরিয়ে নেন এবং বাকি টাকার বিষয়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখাতে থাকেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে গিয়ে কোনো সমাধান না পাওয়ায় পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগী কণিকা রামপাল সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ করেন। তদন্তের ভিত্তিতে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে আব্দুর রহমানকে ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধের লিখিত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী গত পাঁচ মাসে প্রতিপক্ষ রহমান মাত্র ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন। বাকি ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধে টালবাহানা শুরু করেছেন। কণিকা দাবি করেন, মোশারেফ নামের এক ব্যক্তি তার বাড়ি ফকিরহাট পরিচয় দিয়ে মোবাইল ফোনে তাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। টাকা কিভাবে আদায় করি তা দেখে নেবে বলেও হুমকি দিচ্ছে। বিষয়টি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ালেও প্রতিপক্ষ থানায় হাজির হননি। হুমকি দেওয়ায় ভুক্তভোগীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন।
স্থানীয় সালিশে নির্ধারিত ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দ্রুত ফেরত পাওয়ার আশায় বাগেরহাট প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তা ও হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।