টাঙ্গাইল-৮ আসন
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:০৮ পিএম
আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:১৮ পিএম
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের একটি অডিও কথোপকথন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক হাজী আবদুল খালেক মণ্ডলকে মারধরের হুমকি এবং পিঠের চামড়া তুলে নেওয়ার মতো আপত্তিকর ভাষায় কথা বলার রেকর্ড রয়েছে।
তবে আহমেদ আযম খানের দাবি, ওই অডিও কথোপকথনটি এডিট করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক মণ্ডলের বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে। তিনি ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও পৌরসভার সাবেক মেয়র। বর্তমানে তিনি টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি জানান, গত বুধবার বেলা ৩টা ৩৫ মিনিটে আহমেদ আযম খান তাকে ফোন করেন। তাদের কথোপকথন হয় ৩ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড। সেই কথোপকথনের অডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
হুমকি প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি, তবে কোনো হুমকি দিইনি। অডিওতে এআই ব্যবহার করে অন্য রকম করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে উপর্যুপরি চক্রান্ত করছে। আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে অডিওটি ভাইরাল করা হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘সখীপুর-বাসাইল আমার নির্বাচনী এলাকা। খালেক মণ্ডল আমার সঙ্গে কথা না বলে তার ব্যক্তিগত লোকজনকে দিয়ে ইউনিয়ন কমিটি দিয়েছেন। তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত ও আমার ইমেজ নষ্ট করতে অডিও এডিট করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়িয়ে দিয়েছেন। আমি অপেক্ষা করছি। আমি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
এ বিষয়ে আবদুল খালেক মণ্ডল বলেন, ওই অডিও স্পষ্ট। এখানে কোনো এআই ব্যবহার করা হয়নি। তিনি টাঙ্গাইল সদর থানায় অনলাইনে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।